আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন বিভাগকে ভারতের অভিনেতা এবং গায়ক শিলাজিত বলেন, আমি খুব খুশি। বিখ্যাত ব্যক্তি যারা রয়েছেন তারাও আমার দেওয়া নামটি ব্যবহার করে চলেছেন। তার মানে যেটা দাঁড়াচ্ছে সেটা হলো আমার মত যারা ছোট মানের গীতিকার রয়েছেন তারা এখনও তাদের মাথায় বাস করে। ’
অপর দিকে, সৃজিত জানিয়েছেন যে, তিনি ইম্পা অর্থাৎ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচারস অ্যাসোসিয়েশন এর মাধ্যমে ’এক্স ইকুয়েলস টু লাভ’ শিরোনামের সিনেমার নামটি উত্তীর্ণ করিয়েছেন। সেখান হতে কোনো ধরনের কোনো বা’ধা আসেনি। অনুমতি লাভ করার পরে তিনি তার ছবির নাম দেন। সৃজিতের কথায়, এটি একটি শব্দগুচ্ছ। যে কেউ চাইলে সেটার ব্যবহার যেকোনো সময় করতে পারেন। বাংলা শব্দ নিয়ে কেউ কোনো অধিকার দেখাতে পারেন না। কিন্তু তিনি শিলাজিতের মন খা’রাপে অনেকটা দূ:খ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ’২০০৭ সাল থেকে চিনি আমি তাকে। আমি ভেবেছিলাম তিনি খুশি হবেন তার দেওয়া নাম ব্যবহার করা হয়েছে শুনে। কিন্তু আমার ফোন না ধরলে আমি কেমন করে জানাব তাকে?’ ফোন ধরে যদি শিলাজিৎ তাকে গা’লিগা/লাজ করতেন, তা হলে বরং খুশি হতেন পরিচালক। এমনই জানিয়েছিলেন তিনি।

শনিবার আনন্দবাজার অনলাইনের লাইভে ফের সে প্রসঙ্গে উঠলে শিলাজিৎ জানান, বি’র/ক্তি কমে এসেছে। কিন্তু তার অভি’মান ভা’ঙানোর জন্য তার মনের মতো কাজটি এখনও করেননি সৃজিত। অনেকভাবেই মান ভা’ঙা/নোর চেষ্টা করেছেন পরিচালক। কখনও শিলাজিতের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন, কখনও তাকে খাওয়ানোর কথা বলেছেন। এমনকি শিলাজিৎ যখন নিজের পেজ থেকে লাইভ করছিলেন, সৃজিত নাকি আ’চমকা ক্যামেরার সামনে চলে গিয়েছিলেন।

শিলাজিতের বক্তব্য, ’সৃজিতের ফোন ধ’রছি না বলে আমার খা’রা/প লাগছিল। কিন্তু কী করব? আমার দাবিটা বোঝানোর দরকার ছিল ওকে। সংবাদমাধ্যমের সামনে ঘোষণা করার আগে আমাকে একবার বলার উচিত ছিল সৃজিতের। এর থেকে বেশি আমার কোনো দাবি নেই।’

কিন্তু যেদিন স্থির হয়েছিল, সৃজিত তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে খাওয়াবেন সেদিন শিলাজিৎ সেখানে থাকতে পারেননি। তার নামে বাড়িতে ভোজ হলো কিন্তু তিনিই ছিলেন না। অন্যরা খেয়ে গেলেন।

শিলাজিত বলেন, যেদিন তিনি সৃজিতের বাড়িতে নিমন্ত্রিত হয়েছিলেন, সেদিন সৃজিতের সহধর্মিনী মিথিলা অনেক অনেক পদ রান্না করেছিলেন শুধু নয় করে রেখে দিয়েছিলেন। আমার কথা ছিল, কিন্তু সেই সুবাদে আমি ছাড়াও অনেকেই সেখানে নিমন্ত্রন ছাড়াই গিয়েছিলেন। সৃজিতও ছিলেন তাদের মধ্যে। তারা খেলো কেন? নিমন্ত্রন টাতো আমার ছিল। আমি বিশেষ অতিথি। যদি তারা আমাকে আলাদাভাবে না খাওয়ায়, তাহলে নিষ্পত্তির কোন সুযোগ নেই। ’

শিলাজিত দাবি করে বলেন, মিথিলার হাতে রান্না করা খাবার খেতে চাই। তা ছাড়া, কেবল তাকে আলাদা করেই খাওয়াতে হবে। আর কেউ থাকবে না। তবেই না সব কিছু চুকে যাবে।




শিলাজিতের অভিমান ভাঙতে সৃজিতের উপর মিথিলাকে নিয়ে আবদার
Logo
Print

বিনোদন Hits: 391

 

আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন বিভাগকে ভারতের অভিনেতা এবং গায়ক শিলাজিত বলেন, আমি খুব খুশি। বিখ্যাত ব্যক্তি যারা রয়েছেন তারাও আমার দেওয়া নামটি ব্যবহার করে চলেছেন। তার মানে যেটা দাঁড়াচ্ছে সেটা হলো আমার মত যারা ছোট মানের গীতিকার রয়েছেন তারা এখনও তাদের মাথায় বাস করে। ’
অপর দিকে, সৃজিত জানিয়েছেন যে, তিনি ইম্পা অর্থাৎ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচারস অ্যাসোসিয়েশন এর মাধ্যমে ’এক্স ইকুয়েলস টু লাভ’ শিরোনামের সিনেমার নামটি উত্তীর্ণ করিয়েছেন। সেখান হতে কোনো ধরনের কোনো বা’ধা আসেনি। অনুমতি লাভ করার পরে তিনি তার ছবির নাম দেন। সৃজিতের কথায়, এটি একটি শব্দগুচ্ছ। যে কেউ চাইলে সেটার ব্যবহার যেকোনো সময় করতে পারেন। বাংলা শব্দ নিয়ে কেউ কোনো অধিকার দেখাতে পারেন না। কিন্তু তিনি শিলাজিতের মন খা’রাপে অনেকটা দূ:খ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ’২০০৭ সাল থেকে চিনি আমি তাকে। আমি ভেবেছিলাম তিনি খুশি হবেন তার দেওয়া নাম ব্যবহার করা হয়েছে শুনে। কিন্তু আমার ফোন না ধরলে আমি কেমন করে জানাব তাকে?’ ফোন ধরে যদি শিলাজিৎ তাকে গা’লিগা/লাজ করতেন, তা হলে বরং খুশি হতেন পরিচালক। এমনই জানিয়েছিলেন তিনি।

শনিবার আনন্দবাজার অনলাইনের লাইভে ফের সে প্রসঙ্গে উঠলে শিলাজিৎ জানান, বি’র/ক্তি কমে এসেছে। কিন্তু তার অভি’মান ভা’ঙানোর জন্য তার মনের মতো কাজটি এখনও করেননি সৃজিত। অনেকভাবেই মান ভা’ঙা/নোর চেষ্টা করেছেন পরিচালক। কখনও শিলাজিতের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন, কখনও তাকে খাওয়ানোর কথা বলেছেন। এমনকি শিলাজিৎ যখন নিজের পেজ থেকে লাইভ করছিলেন, সৃজিত নাকি আ’চমকা ক্যামেরার সামনে চলে গিয়েছিলেন।

শিলাজিতের বক্তব্য, ’সৃজিতের ফোন ধ’রছি না বলে আমার খা’রা/প লাগছিল। কিন্তু কী করব? আমার দাবিটা বোঝানোর দরকার ছিল ওকে। সংবাদমাধ্যমের সামনে ঘোষণা করার আগে আমাকে একবার বলার উচিত ছিল সৃজিতের। এর থেকে বেশি আমার কোনো দাবি নেই।’

কিন্তু যেদিন স্থির হয়েছিল, সৃজিত তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে খাওয়াবেন সেদিন শিলাজিৎ সেখানে থাকতে পারেননি। তার নামে বাড়িতে ভোজ হলো কিন্তু তিনিই ছিলেন না। অন্যরা খেয়ে গেলেন।

শিলাজিত বলেন, যেদিন তিনি সৃজিতের বাড়িতে নিমন্ত্রিত হয়েছিলেন, সেদিন সৃজিতের সহধর্মিনী মিথিলা অনেক অনেক পদ রান্না করেছিলেন শুধু নয় করে রেখে দিয়েছিলেন। আমার কথা ছিল, কিন্তু সেই সুবাদে আমি ছাড়াও অনেকেই সেখানে নিমন্ত্রন ছাড়াই গিয়েছিলেন। সৃজিতও ছিলেন তাদের মধ্যে। তারা খেলো কেন? নিমন্ত্রন টাতো আমার ছিল। আমি বিশেষ অতিথি। যদি তারা আমাকে আলাদাভাবে না খাওয়ায়, তাহলে নিষ্পত্তির কোন সুযোগ নেই। ’

শিলাজিত দাবি করে বলেন, মিথিলার হাতে রান্না করা খাবার খেতে চাই। তা ছাড়া, কেবল তাকে আলাদা করেই খাওয়াতে হবে। আর কেউ থাকবে না। তবেই না সব কিছু চুকে যাবে।




Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.