প্রায় সময় খবরে আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে খালেদা জিয়ার নাম মুছে দিয়েছে ছাত্রলীগ কিংবা জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নামফলক থেকে জিয়া শব্দটি কালো রঙ দিয়ে মুছে দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে এবার ঘটলো ভিন্ন ঘটনা, যে ছাত্রলীগ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে নাম মুছে দেবার গুরুদায়িত্বে নিজেদেরকে ব্যস্ত রাখে, এবার সেই ছাত্রলীগের নামই বুয়েটের বিভিন্ন জায়গা থেকে মুছে দিল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিষ্ঠানটির শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদকের কক্ষ গতকাল শনিবার সিলগালা করে দিয়েছে বুয়েট প্রশাসন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রশাসনিকভাবে ছাত্ররাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পরপরই বুয়েটের বিভিন্ন স্থান থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে ছাত্রলীগের নাম এবং লোগো।

সেই স্থানগুলোতে জায়গা করে নিয়েছে আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে নানান প্রতিবাদী স্লোগান ও গ্রাফিতি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার সামনের দেয়ালে লেখা ছিল ছাত্রলীগের নাম। সেখান থেকে ছাত্রলীগের নাম মুছে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

এ দিকে বুয়েটের ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষ সিলগালা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও আরও একাধিক কক্ষে অভিযান চালিয়ে এসব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ১৯ নেতা আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দাবি করে মামলা করেছেন আবরারের পিতা। ইতোমধ্যেই জড়িতদের আটক করা হয়েছে।