অনলাইন শপিং বর্তমান সময়ে অনেকটা জনপ্রিয়তা পেয়েছে কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্র’তা/রনার পরিমান বেড়ে গেছে। সেক্ষেত্রে শুধু ই-কমার্স কোম্পানির যে সমস্ত মালিক রয়েছেন তারা শুধু দা’য়ী নয়, গ্রাহকরাও বহুলাংশে দা’য়ী। অনেক অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে হঠাৎ করে কোনো একটি ওয়েবসাইট তৈরী করে অফারের ফাঁ’/দ পেতে বসে। আর যারা এতে পা রাখছে তারা অনেক অর্থ হারিয়ে অনেকটা শান্ত হয়ে যান। বিশ্লেষকরা দা’বি করছেন, গ্রাহকরা লো’ভে পড়ছেন যার কারণে একের পর এক ই-কমার্স ভিত্তিক জা’লি/য়াতি চক্র তৈরি হচ্ছে।
একটি কিনলে ৩টি পণ্য ফ্রি দিচ্ছে কেউ কেউ। আবার কেউ বলছে অর্ডার করলে পণ্য মিলবে প্রায় বিনামূল্যে। দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেয়ারও অফার দিচ্ছে কোনো কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। তবে এসব পাওয়ার প্রধান শর্ত টাকা পেমেন্ট করতে হবে অগ্রিম। এমন অবাস্তব অফারের লো’ভ সামলাতে পারেন না অনেক গ্রাহক। শত বা হাজার টাকা নয় এসব প্রতিষ্ঠানে কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করেন কেউ কেউ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা শাখার তথ্য মতে, ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশের ৬৭টি নামসর্বস্ব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের কাছ থেকে হা’তিয়ে নিয়েছে ৭ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা।

আইটি বিশেষজ্ঞ আল মামুন বলেন, অনেক গ্রাহক পণ্য কেনাকে ব্যবসা হিসেবে নিচ্ছেন। যার কারণে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোনো অবাস্তব অফার দেখে নয়। অনলাইনে পণ্য কিনতে হবে জেনে বুঝে।

মনজিল মোরশেদ যিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের আইনজীবী তিনি বলেন, সরকারকে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা এবং ভিন্ন পলিসির ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। শাহাব উদ্দিন শিপন যিনি ই-ক্যাবের সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন তিনি বলেন, সরকার ও প্রশাসন মানুষকে সচেতন করতে নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। কিন্তু মানুষ সেগুলোকে উপেক্ষা করে নিজেরাই ক্ষ’তির সম্মুখীন হচ্ছে। বর্তমান সময়কার এই ধরনের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেটার জন্য মানুষের লো’ভ দা’য়ী।