ঔষধ এমন একটি জিনিস যা রক্ষা করে থাকে জীবন তবে সেই জীবন র’ক্ষাকারী উপকরনটি যদি হয়ে থাকে নক’ল তাহলে তা মেনে নেওয়াটা পুরোপুরি অস্ম্ভব বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। দোকানে গেলে দেখা যায় স্তরে স্তরে সাজানো বিভিন্ন রকমের ওষুধ। তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন নামী-দামী দেশি ও বিদেশী ব্র্যান্ডের ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, মলম, স্প্রে। আছে জীবন র’ক্ষাকারী ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ আই-পিলস, এফ্রো’ডিসি’য়াকস, ইন্ডিয়ান মুভ, বেটনোভেট এন ক্রিম, ওমিপ্রা’জল। যাইহোক, সেই সকল ওষুধের প্রায় সবগুলোই নকল। এই ধরনের জীবনরক্ষাকারী যে ওষুধ সেগুলোর নক’ল ওষুধ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। পুরাতন ঢাকার বাবুবাজার সুরেশ্বরী এলাকায় তিনটি ওষুধের দোকান ও তাদের যে স্টকঘর রয়েছে সেখানে বিপুল পরিমাণ ন’কল ওষুধ পাওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পু’/লি’/শের গো’য়েন্দা বিভাগ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে এসব নক’ল ওষুধ জব্দ করেছে। গ্রে’/প্তা’/র করেছে তিনজনকে। তাঁরা হলেন মেডিসিন ওয়ার্ল্ড ফার্মেসির ফয়সাল আহমেদ (৩২), লোকনাথ ড্রাগের সুমন চন্দ্র মল্লিক (২৭) ও রাফসান ফার্মেসির লিটন গাজী (৩২)। অভি’যানে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ডিবির কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, একটি চ’ক্র কিছু ফার্মেসিতে নকল ওষুধ বিক্রি করে। অতিরিক্ত লাভের আশায় ফার্মেসি মালিকরাও এসব ওষুধ কিনছেন এবং বিক্রি করছেন। অসুস্থ কোনো ব্যক্তি এসব নক’ল ওষুধ সেবনের পর সুস্থ হওয়া তো দূরে থাক উল্টো জীব/নহা’নির বি’প/দে পড়েন।

ডিবির লালবাগ বিভাগের কোতোয়ালি জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সাইফুর রহমান আজাদ জানান, অভিযা’নে মেডিসিন ওয়ার্ল্ড ফার্মেসি থেকে জ’/ব্দ করা হয় নকল ৫০০টি হোয়াইফিল্ড মলম, ২৫০টি নিক্স রাবিং বাম, ৩৫০টি বেটনোভ্যাট-সি ক্রিম ও ৩০টি রিং গার্ড ক্রিম। লোকনাথ ড্রাগ থেকে জ’ব্দ করা হয় এক হাজার প্রোটোবিট ক্যাপসুল, তিন হাজার ন্যাপ্রোক্সেন প্লাস ট্যাবলেট, চার শ সানাগ্রা ট্যাবলেট ও দেড় হাজার পেরিঅ্যাকটিন ট্যাবলেট। রাফসান ফার্মেসি থেকে জ’ব্দ করা হয় নকল ১২০ পাতা জ’ন্মনিরো’ধক আই-পিল, ৭৫টি পিলের খালি প্যাকেট, আট বাক্স সুপার গোল্ড কস্তুরি, ১১৫ বাক্স ইনো, ১১০টি টিউব মুভ, ৪২০ কৌটা গ্যাকেজিমা, ৩০০টি নকল ভিক্স কোল্ড প্লাস ও ২০ কৌটা ভ্যাপোরাব।

সাইফুর রহমান আজাদ যিনি এডিসি হিসেবে দায়িত্বরত তিনি এ প্রসন্গে বলেন, ওষুধ প্রশাসনের দুইজন দায়িত্বশীল অফিসার এটিএম কিবরিয়া খান ও মওদুদ আহমেদ অভিযা’নের সময় ছিলেন। যারা নক’ল ওষুধ বাজারে সরবরাহ করে চলেছে তাদের গ্রে’/ফ’তা’/র করার জন্য অভি’যান অব্যাহত আছে। কারন এই জীবনরক্ষাকারী ওষুধগুলো কখনও যাতে বাজারে কোনো রকম প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে গুরুত্ব দিয়ে তদ’ন্তে নামছে একটি দল।
দোকানে বিক্রয় হওয়া অধিকাংশ ওষুধই নকল
Logo
Print

বিশেষ প্রতিবেদন Hits: 515

 

ঔষধ এমন একটি জিনিস যা রক্ষা করে থাকে জীবন তবে সেই জীবন র’ক্ষাকারী উপকরনটি যদি হয়ে থাকে নক’ল তাহলে তা মেনে নেওয়াটা পুরোপুরি অস্ম্ভব বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। দোকানে গেলে দেখা যায় স্তরে স্তরে সাজানো বিভিন্ন রকমের ওষুধ। তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন নামী-দামী দেশি ও বিদেশী ব্র্যান্ডের ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, মলম, স্প্রে। আছে জীবন র’ক্ষাকারী ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ আই-পিলস, এফ্রো’ডিসি’য়াকস, ইন্ডিয়ান মুভ, বেটনোভেট এন ক্রিম, ওমিপ্রা’জল। যাইহোক, সেই সকল ওষুধের প্রায় সবগুলোই নকল। এই ধরনের জীবনরক্ষাকারী যে ওষুধ সেগুলোর নক’ল ওষুধ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। পুরাতন ঢাকার বাবুবাজার সুরেশ্বরী এলাকায় তিনটি ওষুধের দোকান ও তাদের যে স্টকঘর রয়েছে সেখানে বিপুল পরিমাণ ন’কল ওষুধ পাওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পু’/লি’/শের গো’য়েন্দা বিভাগ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে এসব নক’ল ওষুধ জব্দ করেছে। গ্রে’/প্তা’/র করেছে তিনজনকে। তাঁরা হলেন মেডিসিন ওয়ার্ল্ড ফার্মেসির ফয়সাল আহমেদ (৩২), লোকনাথ ড্রাগের সুমন চন্দ্র মল্লিক (২৭) ও রাফসান ফার্মেসির লিটন গাজী (৩২)। অভি’যানে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ডিবির কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, একটি চ’ক্র কিছু ফার্মেসিতে নকল ওষুধ বিক্রি করে। অতিরিক্ত লাভের আশায় ফার্মেসি মালিকরাও এসব ওষুধ কিনছেন এবং বিক্রি করছেন। অসুস্থ কোনো ব্যক্তি এসব নক’ল ওষুধ সেবনের পর সুস্থ হওয়া তো দূরে থাক উল্টো জীব/নহা’নির বি’প/দে পড়েন।

ডিবির লালবাগ বিভাগের কোতোয়ালি জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সাইফুর রহমান আজাদ জানান, অভিযা’নে মেডিসিন ওয়ার্ল্ড ফার্মেসি থেকে জ’/ব্দ করা হয় নকল ৫০০টি হোয়াইফিল্ড মলম, ২৫০টি নিক্স রাবিং বাম, ৩৫০টি বেটনোভ্যাট-সি ক্রিম ও ৩০টি রিং গার্ড ক্রিম। লোকনাথ ড্রাগ থেকে জ’ব্দ করা হয় এক হাজার প্রোটোবিট ক্যাপসুল, তিন হাজার ন্যাপ্রোক্সেন প্লাস ট্যাবলেট, চার শ সানাগ্রা ট্যাবলেট ও দেড় হাজার পেরিঅ্যাকটিন ট্যাবলেট। রাফসান ফার্মেসি থেকে জ’ব্দ করা হয় নকল ১২০ পাতা জ’ন্মনিরো’ধক আই-পিল, ৭৫টি পিলের খালি প্যাকেট, আট বাক্স সুপার গোল্ড কস্তুরি, ১১৫ বাক্স ইনো, ১১০টি টিউব মুভ, ৪২০ কৌটা গ্যাকেজিমা, ৩০০টি নকল ভিক্স কোল্ড প্লাস ও ২০ কৌটা ভ্যাপোরাব।

সাইফুর রহমান আজাদ যিনি এডিসি হিসেবে দায়িত্বরত তিনি এ প্রসন্গে বলেন, ওষুধ প্রশাসনের দুইজন দায়িত্বশীল অফিসার এটিএম কিবরিয়া খান ও মওদুদ আহমেদ অভিযা’নের সময় ছিলেন। যারা নক’ল ওষুধ বাজারে সরবরাহ করে চলেছে তাদের গ্রে’/ফ’তা’/র করার জন্য অভি’যান অব্যাহত আছে। কারন এই জীবনরক্ষাকারী ওষুধগুলো কখনও যাতে বাজারে কোনো রকম প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে গুরুত্ব দিয়ে তদ’ন্তে নামছে একটি দল।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.