পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার পদে বহাল থাকবেন কিনা সেটা নির্ভর করবে সাংবিধানিক বা’ধ্যবা’ধকতার উপনির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে। আর এই উপনির্বাচনের ভোট গ্রহনও আরম্ভ হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ এবং বার বার নির্বাচিত নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজেকে ধরে রাখতে পারবেন কিনা সেটা ভবানীপুরের নির্বাচনে নির্ভর করছে।
দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনে মমতার বি’রু/দ্ধে ল’/ড়’ছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়াল।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভবানীপুরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শতভাগ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবানীপুরের ভোটকেন্দ্রে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেন্দ্রীয় বা’/হি’/নীও দায়িত্ব পালন করছে।

রাজ্যের আরও দু’টি আসন— শমসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরেও বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিধানসভা ভোট। কিন্তু গুরুত্বের দিক থেকে মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জ বা জ’/ঙ্গিপুর ধারেকাছে নেই ভবানীপুরের।

দক্ষিণ কলকাতার এই আসনই ঠিক করে দেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভবিষ্যৎ। ১০ বছর আগে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এই বিধানসভা আসন থেকেই জিতে প্রথম বিধানসভায় গিয়েছিলেন মমতা। তার আগে মমতা লোকসভার সাংসদ হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর থেকে জিতেছিলেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মমতার জন্যই তিনি কেন্দ্রটি ছেড়ে দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত মার্চ এবং এপ্রিল মাসে আট দ’/ফায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত ২ মে ফল প্রকাশ হয়। মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯২ আসনের মধ্যে ২১৩টিতে জিতে বিপুল ভাবে ক্ষমতায় ফিরে আসে।
তবে নন্দীগ্রামে মমতা ব্যানার্জী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর নিকট অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন। এরপর গত ৫ মে মমতা টানা তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন। কিন্তু যদি তিনি তার মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকতে চান, তাহলে তাকে শপথ গ্রহন পরবর্তী ৬ মাসের ভেতর জিততে হবে। এজন্য তিনি ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিদন্দ্বিতা করছেন।