অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হ’/’ত্যা মা’/ম’/লার ৪ নম্বর সাক্ষী প্রদান করেন কামাল হোসেন যিনি পেশায় একজন সিএনজি অটোরিকশা চালক। তিনি তার সাক্ষ্য দেওয়া বয়ানে বলেন, সিনহাকে গু’/’লি করার পরে তিনি রাস্তায় লু’/টি’য়ে পড়ে যান। তিনি পড়ে গেলেও বেঁ’চে ছিলেন। সেই সময়ে তিনি বার বার ’পানি, পানি’ বলে ছ’টফ’ট করছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে তাদের কেউ তাকে পানি দেয়নি।
কামাল সেই সাথে যোগ করে বলেন, ওসি প্রদীপ ঘটনার স্থানে আসার পর সিনহার বুকের ওপর লা’/থি মে’/’রে বুট দিয়ে তার গলার উপরে পা চে’পে ধ’রে রাখে। এক সময় সিনহা নি’স্তে/জ হয়ে যান। এ সময় তাদের কয়েকজন ঘটনা যেখানে ঘটেছিল তার আশেপাশে ছিলেন, এমনটাই বলেন অটো চালক কামাল। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চা’ঞ্চল্যকর এই হ’/’ত্যা মা’/ম’/লার ৪ নম্বর সাক্ষী অটোরিকশা চালক কামাল হোসেন সোমবার কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ সা’ক্ষ্য দেন। আ’/সা’/মী পক্ষের আইনজীবীরা এরপর তাকে জে’রা করেন।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বি’চারক মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে সকাল ১০টায় এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে ক’/ঠো’/র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পু’/লি’/শের প্রিজনভ্যানে করে মা’/ম’/লার ১৫ আ’/সা’/মিকে আদা’লতের কা’ঠগ’ড়ায় তোলা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বলেন, সোমবার তিনজন সাক্ষী হাজির ছিলেন। কিন্তু একজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও জে’রা করে আদা’লতের সময় শেষ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, দুই দ’/ফায় পাঁচ দিনে মাত্র ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জে’রা শেষ করা সম্ভব হয়েছে। মঙ্গলবার পঞ্চম সা’ক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

এদিকে, রানা দাশগুপ্ত যিনি আ’/সা’/মিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ল’/ড়’ছেন তিনি বলেন, সা’ক্ষী দেওয়া কামাল হোসেন সিএনজি চালাতেন তার তেমন কোনো প্রমাণ নেই। তিনি এর আগে তদ’ন্তকারী কর্মকর্তাকে এই ধরনের কোনো কথা বলেননি আদা’লতে। এখন তিনি এটা বলছেন।

এর পূর্বে, গেল ২৩ আগস্ট হতে ২৫ আগস্ট এই তিনদিন একটানা সা’ক্ষ্য গ্রহন করা হয়, এই সাক্ষ্য প্রদান করেন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস যিনি মেজর সিনহার বোন এবং শাহেদুল ইসলাম সিফাত নামে সিনহার একজন সহকর্মী, সিফাত ঐ ঘটনা যখন ঘটে সেই সময় সিনহার সাথে ছিলেন। মোহাম্মদ আলী এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তৃতীয় নম্বর সা’ক্ষী, যিনি গত রবিবার আদালতে সা’ক্ষ্য দিয়েছেন।