প্রায় দেড় বছর ধরে দেশের সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয়েছে। খুলে দেওয়ার পর দুই সপ্তাহ পার হয়েছে, এরই মাঝে দেশে কয়েকজন শিক্ষার্থী সংক্রমিত হয়েছে বলে জানা গেছে। ক’রোনায় সংক্রমিত কিংবা ক’রোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে এমন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের ক’রোনার উপসর্গ সম্পর্কে কী করা উচিত তা নির্ধারণে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও চারটি জরুরি নির্দেশ প্রদান করেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) অর্থাৎ ২৮ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের তরফ থেকে এই আদেশ দিয়ে তা মেনে চলার জন্য বলেছে।
নির্দেশনাগুলো হচ্ছে—এক. শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের পর প্রথমেই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সম্বন্ধে খোঁজখবর নিবেন। দুই. শিক্ষার্থীর পরিবারের কেউ ক’রোনা সংক্রমিত বা ক’রোনার লক্ষণ (জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি) আছে কি না তার খোঁজ নিবেন। তিন. কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কারো ক’রোনা বা ক’রোনার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত সেই শিক্ষার্থীকে আইসোলেশনে রেখে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। চার. প্রতিষ্ঠানের প্রধান ওই শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক এবং সব শিক্ষার্থীর দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক’রোনা টেস্ট করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আদেশে বলা হয়, পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (সব অঞ্চল); উপপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সব অঞ্চল, সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সব উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁদের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি অবহিত ও বাস্তবায়নে তত্ত্বাবধান করবেন। সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার অনুরোধ করা হয় নির্দেশনায়।

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংক্ষিপ্ত রুটিনের মাধ্যমে ক্লাস চলছে, যেটা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষা কতৃপক্ষের। তবে শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি এটাও বলেছেন যে, যদি সংক্রমন পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায় অর্থাৎ অবনতি হয় তাহলে পূনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে। বর্তমান সময়ে করোনা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতির দিকে যার কারনে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়।