কয়েকদিন ধরে জোন ভিত্তিক লকডাউনের যে বিশ্লেষন বা সাধারন মানুষের মাঝে যে আলোচন শুরু হয় তা অবশেষে অনুমোদন পেয়েছে। করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) সংক্রমণের যে হার তা গত দু সপ্তাহ ধরে তীব্র আকার ধারন করেছে। তাই এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জোন ভিত্তিক যে লকডাউনের সিন্ধান্ত নেওয়া হয় তা এই পরিস্থিতে একটি কার্যকর পদক্ষেপ বলে ধারনা করছে বিশ্লেষকেরা।
মাত্রার ওপর ভিত্তি করে রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোন করে লকডাউন ঘোষণা সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা ক্যাবিনেট মিটিংয়ে আলোচনা হয়নি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। আমাদের যে সংক্রামক ব্যাধি আইন আছে, এটা সেই আইনের মধ্যে দেয়া আছে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর অথরাইজড।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন যে, আইটি ব্যবহার করে যেভাবে জোনিং করার চিন্তাভাবনা হচ্ছে এটা সারা পৃথিবীতে করা হচ্ছে। এটাতে সুবিধা আছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য এক্সিকিউটিভ মিনিস্ট্রি, তারা বসেই যদি মনে করে কোনো জায়গাটাকে .... রেড জোন ডিক্লেয়ার করা সবার জন্যই ভালো, কারণ সবাই তখন সতর্ক হতে পারবে।

কোভিড-১৯ থেকে আরও কার্যকরভাবে সংক্রমণ এবং মৃ/ত্যুর হার নিয়ন্ত্রণ করতে দেশে তিনটি অঞ্চলে, অর্থাৎ লাল, সবুজ এবং হলুদে বিভক্ত করা হবে। ক্রমবর্ধমান করোনভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে করোনার সংক্রামনের হার অনুযায়ী বিভক্ত করে তা লকডাউন করা হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ আপডেট অনুসারে, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহের পুরো বিভাগ, ৫০ টি জেলা ও ৪০০ উপজেলাকে ’রেড জোন’ এর আওতায় আনা হয়েছে এবং সেগুলি পুরোপুরি লকডাউন করে দেওয়া হবে।