করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হলেও এখন রয়েছে স্থিতিশীল অবস্থায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠিত হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন উন্নতির দিকে এবং তিনি পূর্বের চেয়ে সুস্থ বোধ করছেন।
আজ মঙ্গলবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফেসবুক পেজে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়। সেখানে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক মামুন মুস্তাফির বরাতে বলা হয়, ’জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কোভিড এবং গুরুতর নিউমোনিয়ার সংক্রমণ নিয়ে একটি অনলাইন মেডিকেল বোর্ড গঠিত হয়। সেখানে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। তাঁর সার্বিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং অক্সিজেন গ্রহণের মাত্রা আর অবনতি হয়নি। তিনি আগের চেয়ে ভালো বোধ করছেন এবং আলহামদুলিল্লাহ নিজে থেকে খাবার গ্রহণ করছেন।’

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নিয়মিত ডায়ালাইসিস এবং চেস্ট ফিজিওথেরাপি চলছে বলেও জানানো হয়।

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে তাঁর শরীর খারাপ হয়। শনিবার থেকে কিছুটা উন্নতি হয়। সেই থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত একই রকম আছে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তে র‍্যাপিড টেস্টিং কিট দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে গত ২৫ মে জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এ ছাড়া বিএসএমএমইউর পরীক্ষা থেকেও ২৮ মে তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। ৭৯ বছর বয়স্ক এই মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসক ২৯ মে থেকে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী এবং ছেলেও করোনাভাইরাসে সংক্রমিত।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হতে তার স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়, জাফরুল্লাহ চৌধুরী বর্তমানে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে অধ্যাপক মামুন মুস্তাফি ও অধ্যাপক নজীবের তত্ত্বাবধানে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন গনমাধ্যমকে বলেন, জাফরুল্লাহর শ্বাসকষ্ট হওয়ার কারণে তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে। তবে তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি নিজেই এখন খেতে পারছেন।