বতমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি বিশারদেরা। তবে হার্ডওয়্যারের বিষয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি করতে না পারলেও সফটওয়ারের ক্ষেত্রে অভাবনীয়ভাবে এগিয়ে গেছে তথ্য প্রযুক্তির সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা। বিশ্বের যে সকল নামকরা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান আছে তাদের টেক্কা দিতে পারে আমাদের দেশের সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা। তবে বাংলাদেশে এই প্রযুক্তির যে খা’রাপ দিক রয়েছে অর্থাৎ হ্যাকিং সেখানে বাংলাদেশের তরুনেরা কম এগিয়ে নেই।
বিশ্বজুড়ে যখন সাইবার স’/’ন্ত্রা’/স ও হ্যা’/কিং বাড়ছে, তখন অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সাইবার নিরাপত্তা। এস্তোনিয়াভিত্তিক ই-গভর্নেন্স একাডেমি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সাইবার নিরাপত্তা সূচকে ২৭ ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। ৫৯.৭৪ নম্বর পেয়ে সার্ক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৬০টি দেশের সাইবার নিরাপ’ত্তা ও ডিজিটাল উন্নয়ন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা এ সূচকে বাংলাদেশ এবার ৩৮তম স্থানে উঠে এসেছে। গত ডিসেম্বর ২০২০ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬৫তম।

মৌলিক সাইবার হা’/’ম’/লা প্রতিরোধের প্রস্তুতি, সাইবার হা’/ম’/লার ঘটনা, অপ’/রা’/ধ ও বড় ধরনের সং’কট ব্যবস্থাপনায় তৎপরতা মূল্যায়ন করে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স (এনসিএসআই) তৈরি করা হয়। এনসিএসআইয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ সূচকে ৯৬.১০ স্কোর নিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছে গ্রিস। এরপর ৯২.২১ স্কোর নিয়ে চেক রিপাবলিক এবং ৯০.৯১ স্কোর নিয়ে এস্তোনিয়া তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ১৭তম, যুক্তরাজ্য আছে ১৯তম অবস্থানে। প্রথম ২০টি দেশের মধ্যে এশিয়ার একমাত্র প্রতিনিধি সিঙ্গাপুরের অবস্থান ১৬তম। শ্রীলঙ্কা ৬৯তম, পাকিস্তান ৭০তম স্থানে। জাপান ৩৪তম স্থানে এবং চীন ৮৩তম স্থানে। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ৩৯তম।

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যেসব কর্মকর্তা রয়েছেন তারা বলছেন, সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের সক্ষমতা দিনে দিনে বেড়ে চলেছে এবং সেটা উল্লেখযোগ্যভাবে, যে ক্ষেত্রটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যপকভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। এই ধরনের স্বীকৃতি সাইবার সিকিউরিটির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে সক্ষমতা রয়েছে সেটাকে আরো বাড়াতে সাহায্য করবে।