বর্তমান চলমান পরিস্থিতির কারনে দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ রয়েছে, এবার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি খুলে দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, প্রায় ১৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর আগামীকাল হতে দেশের সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানার মাধ্যমে যদি শ্রেনীকক্ষে যদি পাঠদান করা যায় তাহলে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক কম হবে। তারপরও যদি সংক্রমণ বেড়ে যায়, তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে।
শনিবার সকালের দিকে জামালপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ম’/হামা’রি শুরুতে গতবছরের মার্চে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় দেড়বছর পর আগামী রবিবার থেকে আবার সব স্কুল কলেজ খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এখন।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকলেও পড়াশুনা বন্ধ ছিল না। টেলিভিশন ও অনলাইনের মাধ্যমে পড়াশুনা চালানো হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ ক’রোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলে বা উপসর্গ থাকলে তাদেরকে বিদ্যালয়ে না পাঠানোর অনুরোধও জানান তিনি।

এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী এমপি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে সংক্রমন এবং প্রয়ানের হার অনেক কম যার কারনে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারনে ছেলেমেয়েদের ধারাবাহিক শিক্ষা কার্য্যক্রম অনেকটা ভে’ঙ্গে পড়েছে। তাই চলমান পরিস্থিতিতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সরকার খুলে দিয়েছে এবং আগের মতো শ্রেনিকক্ষে পাঠদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষকদের।