বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে ই-কমার্সের সাথে যুক্ত সকল ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রতি নজর দিতে শুরু করেছে। কারন ই-কমার্সের নামে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ প্র’তা/রিত হচ্ছে যেখানে তাদের লো’ভটাই মূখ্য বিষয়। কারন দেখা গেছে অনেক শিক্ষিত সমাজের মানুষ তাদের লো’ভনীয় অফারের ফাঁ’দে পা দিয়েছেন, যারা দেখতে পারছেন যে তাদের বিজনেস পলিসি স্পষ্ট নয়। তাই ভোক্তাদের লো’ভ কমানোর পরামর্শ দিয়ে জনস্বার্থ প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত এ বিষয়ে আরও বলেছে, ই-কমার্সের নামে যে প্র’তা/রণা চলছে সেটা রো’ধ করার জন্য মানুষকে সচেতন করতে হবে।
রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ফোনে আড়িপা’তা বন্ধের জন্য রিট আবেদনের শু’নানি করেন, সেই সময় ই-কমার্সের বিষয়ে এই ধরনের পরামর্শ দেন।

ফোনে আড়িপাতা বন্ধে রি’টের শু’নানিতে আইনজীবী শিশির মনিরের কাছে ই-কমার্স বিষয়ে জানতে চান হাইকোর্ট। তখন শিশির মনির বলেন, আমাদের দেশে ই-কর্মাস ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে। যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকরা অতি লোভে পড়ে প্র’তা/রণার শি’/কা’র হন।

এর প্রেক্ষীতে আ’দালত বলেন, ’হ্যাঁ আমরাতো দেখি, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি। বিমানের টিকিট কিনলে হোটেল ফ্রি। আপনারাতো পাবলিক ইন্টারেস্টের মা’/ম’/লা করেন। আপনাদের উচিত পাবলিকদের সচেতন করা, তারা যেন এক্ষেত্রে লো’ভ কমান।’

অন্যদিকে শিশির মনির আদা’লতকে বলেন, আমাদের দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিষয়টা এমন যে, প্রথমে তারা অফার দেবে- একটা মোটরসাইকেলের টাকায় দুইটা মোটরসাইকেল। এরপর গ্রাহকরা টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল পাবে এবং টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। এরপর আবার দুইটা কিনলে আরও দুইটা ফ্রি, চারটা কিনলে আরও চারটা ফ্রি পাবে এমন অফার আসে।

আইনজীবী শিশির আরও বলেন, কিন্তু এক পর্যায়ে যখন গ্রাহক অধিকসংখ্যক যেমন, আটটা মোটরসাইকেল কিনলে আরও আটটা মোটরসাইকেল পাওয়ার জন্য টাকা দেয় তখন সে টাকা চলে যায়, কিন্ত মোটরসাইকেল আর আসে না। পরে ফোনে আ’ড়িপাতা বন্ধে ও ফোনালাপ ফাঁ’/সের ঘটনার তদ’ন্ত চেয়ে করা রি’টের আদেশের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

একই দিন আদাল’তে রিট আবেদনের পক্ষে শু’নানি করেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে যিনি শু’নানিতে অংশ নিয়েছিলেন তিনি হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। পরে শিশির মনির সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আদালত রি’ট আবেদনের শু’নানির সময় তাদের নিজের উদ্যোগে এই ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের অসংখ্য মানুষ প্রায় প্রতিটি দিন বেশ কয়েকটি ই-কমার্স মার্কেটের অফারের ফাঁ’দে পড়ে প্র’তা/রিত হচ্ছে। যখন ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জ এর কথা এসেছিল , সেই সময় আদালত মানুষকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন।