আব্বু আমার কপালে চুমু দিয়ে বলে, এটাই শেষ দিয়ে গেলাম : অথৈ

বাংলা সঙ্গীতাঙ্গনের আলোচিত কন্ঠশিল্পী আকবর আলি গাজী। দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই গায়ক। তবে জীবন যু/দ্ধে লড়াই করে অবশেষে পরপারে চলেন গেলেন এই গায়ক। যদিও খুব বেশি সময় গান করেননি তিনি কিন্তু তার গান সব শ্রেনী মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছিল। বাবার চলে যাবার বিষয়টি নিয়ে যে কথা বললেন মেয়ে অথৈ।

গায়ক আকবর ১৩ নভেম্বর মা/রা যান। তার শেষ ঠি/কানা যশোরের কারবালা কবরস্থান। সেখানে মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শা/য়িত হয়েছেন তিনি। চিরতরে বাবাকে হারানো মেয়ে অথৈয়ের কান্না থামছে না। বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সকালে প্রয়াত আকবরের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া স্ট্যাটাসে অথৈ লিখেছেন, বুধবার (১৬ নভেম্বর) যশোর বাদজোহরে আব্বুর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ আমার বাবাকে বেহেশত দান করেন।

বাবার কথা স্মৃতিচারণ করে অথৈ দেশের একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমেকে বলেন, আমি তাকে দেখতে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তার কষ্ট হচ্ছে কি না। আব্বু আমার ক/পালে চুমু দিয়ে ব/লে, এটাই শেষ দি/য়ে গেলাম । আর কখনও দেব না। আমি মনে হ/য় আর বাঁচব। তোদের রাস্তায় ভা/সিয়ে দিয়ে গেলাম। আমাকে ক্ষমা করে দিস কথাগুলো বলার সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

প্রসঙ্গত, প্রায় ১৮ বছর আগে আকবর আলি গাজী কিশোর কুমারের গান ইত্যাদি মঞ্চে গেয়ে পরিচিতি পান। এরপর বাজিমাত করেন তার মৌলিক গান ‘তোমার হাত পাখার বাতাসে’ গেয়ে। গানটির অডিও ও ভিডিও দুটোই সুপার হিট হয়েছে। দেশ-বিদেশের মঞ্চে গান গেয়ে জীবন কাটাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু আকবর হঠাৎ কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। দেখে দেয় ডা/য়াবেটিসও । জীবনের ছন্দপতন ঘটে।

কিছুদিন আগে রাজধানীর বেটার লাইফ হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে তার ডান পা কেটে ফেলা হয়। এরপর ৫ নভেম্বর কিডনি জটিলতায় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখান থেকে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু ডাক্তারদের সমস্ত প্রচেষ্টা বৃথা করে আকবর মা/রা যান।

প্রসঙ্গত, বাবাকে হারানোর ব্যাথা ভুলতে পারছে না মেয়ে অথৈ। বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া ও বাবার বেহেশত কামনা করেছে অথৈ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *