ভাসানী-সোহরাওয়ার্দির হাত ধরে যে দলটির প্রতিষ্ঠা তার এমন অপমৃত্যুতে বেদনাবোধ হয় বৈ কি : পিনাকী

আওয়ামীলীগ দেশের সবচেয়ে পুরাতন দল কিন্তু তাদের টানা তিন বার ক্ষমতায় থেকে যে পরিণিতি হয়েছে সেটি কারও কাম্য নয়। বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতা বসে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আস্তে আস্তে শেষ করে দিয়েছে। তাদের লাগাতার দু/র্নীতি ও লু/টপাটসহ বিভিন্ন অপকর্মের জন্য দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। অবৈধ্য ভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার ও উন্নয়নের নামে প্রকল্প গুলো থেকে নেতাকর্মীদের পকেটে টাকা ঢুকানোর সুযোগ করে দেওয়া রিজার্ভ সংকট তৈরী হয়েছে।এ প্রসঙ্গে সামাজিক যো/গাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যা/টাস দিয়েছেন পিনাকী ভট্টাচার্য পাঠকদের জন্য হুবহু নিচে তু/লে ধরা হলো।

আমার খুব খারাপ লেগেছে, গাছটি এভাবে অযত্নে মরে গেল।

আওয়ামী লীগও এই গাছটির মতোই গত ৫০ বছর ধরে গভীর রাজনৈতিক অসুখের কারণে ধীরে ধীরে আত্মবিনাশের দিকে এগিয়ে গেছে।

ত্রি দলীয় ঐক্যজোট এবং তার কিছুকাল পর বাকশালের প্রতিষ্ঠার থেকেই দলটির ডেমোক্রেটিক ডেফিসিট শুরু হয়, যেটা গত দেড় দশক ধরে আওয়ামী শাসনের সময় ক্যান্সারের মতন ছড়িয়ে পড়ে দলটির সকল স্তরে। এখন কিছু ডালপালা ছাড়া বাকি দলটাই মৃত। মুমূর্ষু বটবৃক্ষটির মতোই। জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভাসানী – সোহরাওয়ার্দির হাত ধরে যে দলটির প্রতিষ্ঠা তার এমন অপমৃত্যুতে বেদনাবোধ হয় বৈ কি।

প্রসঙ্গত, আওয়ামীলীগের মতো এতো বড় রাজনৈতিক দল এভাবে নিজেদের অস্তিত্ব নষ্ট করবে ভাবা কঠিন ছিলো অনেকের মন্তব্য করেন পিনাকী ভট্টাচার্য। তিনি আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত এমন ঘটনায় সত্য বলে প্রমাণ হয়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *