রাষ্ট্রদূতকে যা যা বলা দরকার আমরা বলেছি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আমাগী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি বন্ধু দেশেগুলোও প্রত্যাশা জানিয়ে বিভিন্ন বিবৃতি দিচ্ছে। তবে বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের নির্বাচন নিয়ে দেশের আভ্যন্তরীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সরকার। সম্প্রতি জাপান রাষ্ট্রদূতের নির্বাচন নিয়ে বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন। তার বক্তব্যের ব্যাখ্যার জন্য তাকে ডেকে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী  শাহরিয়ার আলম।

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকিকে কড়া বার্তা দিয়েছে সরকার। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বুধবার বিকেলে এক ফেসবুক বার্তায় বাংলায় লিখেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূতকে ডেকেছিলাম। তাঁ/কে যা যা ব/লা দরকার আ/মরা বলেছি। আমরা মিডিয়াকে সব কিছু বিস্তারিত জানানোর প্রয়োজন মনে করি না।

তাই এ বিষয়ে আমরা কোনো গণমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। ‘

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘আসন্ন প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ-জাপানের সম্পর্ক আরও গভীর হবে- এই প্রত্যাশা নিয়েই আমরা কাজ করছি। আমি আশা করি এই সফর বাংলাদেশ ও জাপানের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে। ‘

‘আপনাদের মধ্যে কেউ কে/উ ভুলে যদি ভুলে গি/য়ে থাকেন”

তার ফেসবুক বার্তায়, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, দৃশ্যত ভিয়েনা কনভেনশনের কথা উল্লেখ করে বিদেশী কূটনীতিকদের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘যদি আপনারা কেউ কেউ ভুলে থাকেন। প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, কূটনৈতিক সম্পর্কের ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশনের ৪১তম অনুচ্ছেদ কূটনীতিকদের গ্রহীতা রাষ্ট্রের আইন ও প্রবিধানকে সম্মান করার জন্য স্মরণ করিয়ে দেয় এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে সে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তাদের হস্তক্ষেপ সীমিত করে। এর আগে গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইবে সরকার।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন বিষয়ে বন্ধু রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশিত নয় মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী  শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, বিদেশী রাষ্ট্রদূতরা নিয়মের বাহিরে কথা বললে ব্যবস্থা নিবে সরকার।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *