হাসিনা এমন একটা পেচগিতে পড়ছে যেইটা থেকে তার ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নাই : পিনাকী

লাগামহীন দু/র্নীতি ও লু/টপাটের ধারাবাহিকতায় দেশে অর্থনৈতিক সংকট তৈরী হয়েছে। সরকার উন্নয়নের নামে মেগা প্রকল্প গুলো থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লু/পাট করেছে। যার জন্য রিজার্ভ সংকট সৃষ্টি হয়েছে সে কারনে আবদানিযোগ্য পন্য দ্রব্য সরবরাহ করতে পারছে না। যার প্রভাব সমচেয়ে বেশি পড়েছে জ্বালানি খাতে সে কারনে বিদ্যুাৎ উন্নদনে সমস্যার তৈরী হয়েছে। আর এর সম্পূর্ণ দায় ভোগ করছে সাধারন জনগণ। বিষয়টি নিয়ে সা/মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ/কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে পিনাকী ভট্টাচার্য পা/ঠকদের জন্য নিচে হু/বহু দেওয়া হলো।

ডলারের সংকট আর বিরোধী দলের আন্দোলনের ঠাপে হাসুবু একটা নতুন কার্ড খেলছে। কী সেই কার্ড? কার্ডের নাম চায়না কার্ড। এই চায়না কার্ড কী? আর এইটার লাভ ক্ষতি কী সেইটা নিয়া আমরা একটু আলাপ করি। তাইলে বুঝবেন হাসিনা এমন একটা পেচগিতে পড়ছে যেইটা থেকে তার ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নাই।

রাশেদ খান মেনন এবং দিলীপ বড়ুয়া চাইনিজ এম্বাসেডরকে নিয়া একটা প্রোগ্রাম করছে। তারা নিজে থেকেএই অনুষ্ঠানে করেনি। হাসিনা পিছে থেকে ঠেকা দিছে সেই সাথে জুটায়ে দিছিল মতিয়া চৌধুরীকে। বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে মতিয়া শেষ মুহূর্তে কেটে পড়ে এবং অনুষ্ঠানে গড় হাজির থেকেছে। এই অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত প্রকাশের যে কথাগুলো বলেছেন তাতেই আমরা ধারণা করতে পারব হাসিনা কেন এ কাজটি করেছে।

আমরা আগের ঘটা কিছু ঘটনা দেইখ্যা নেই তাইলে বুঝতে সুবিধা হবে আরকি। আপনাদের মনে আছে, গত অগাস্টের ৬ তারিখে, চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ান লি হাসিনার এস ও এস এ তড়িঘড়ি করে ঢাকায় আসেছিলেন, মনে আছে না? ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন হাসিনা তার কাছে চীন সরকারের অর্থ সাহায্য চেয়েছিল।

তার কিছুকাল পরে চীনা রাষ্ট্রদূত তিস্তা প্রকল্প অঞ্চলে সফর করতে যান। তখনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে চীনের আর্থিক সাহায্য পাইতে হইলে তিস্তা প্রকল্পে হাসিনারে রাজি হতে হবে। শর্তটি হাসিনার জন্য বিপদজনক।

প্রসঙ্গত, সরকার অর্থনৈতিক সংকটে কাটাতে চাইলেও পারবে না কারন তার সব পথ আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করেনে পিনাকী ভট্টাচার্য। তিনি আরও বলেন, তিনি ঋণের টাকা পাওয়ার পরও কোনো ভাবে সামাল দিতে পারবে না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *